আদাবরে বিএনপি নেতা হত্যা: আদালতে পাঁচ আসামির দোষ স্বীকার, দুজন কারাগারে
আদাবরে বিএনপি নেতা আবুল বাসার বাদশা হত্যা মামলায় ৪ জুলাই পাঁচ আসামি ঢাকার আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এর আগের দিন গ্রেপ্তার আরও দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে আদাবর থানায় মামলা করেছেন।
রাজধানীর আদাবরে বিএনপি নেতা আবুল বাসার বাদশা হত্যা মামলায় পাঁচ আসামি ঢাকার আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (৪ জুলাই) তাঁরা এ জবানবন্দি দেন।
দোষ স্বীকার করা পাঁচ আসামি
আদালতে দোষ স্বীকার করা আসামিরা হলেন নিরব, রিপন, সুমন মিয়া, মজনু মিয়া ও শহীদ। এর আগে বিভিন্ন অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
আগের দিন দুজন কারাগারে
এর আগে শুক্রবার (৩ জুলাই) হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার সোয়েব হোসেন সোয়াইব ও মো. কবির নামে দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়েছিল। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথির আদালত তাঁদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।
মামলা
নিহত আবুল বাসারের স্ত্রী স্মৃতি আক্তার বাদী হয়ে আদাবর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
যেভাবে ঘটেছিল
বিশ্বকাপ ফুটবলে ব্রাজিলের একটি ম্যাচের জয় উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধ মেটাতে ১ জুলাই রাতে আদাবরের নবোদয় বাজার এলাকায় সালিসি বৈঠক বসেছিল। সেই সালিস শেষ হতেই দুই পক্ষের সংঘর্ষে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির দুই নেতা — আবুল বাসার বাদশা ও সাদ্দাম হোসেন। আহত অবস্থায় দুজনকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়; পরে আবুল বাসারের অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে রাতে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সাদ্দাম হোসেন চিকিৎসাধীন।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো, বাংলা ট্রিবিউন, কালের কণ্ঠ, দৈনিক ইনকিলাব, মানবজমিন (৩–৪ জুলাই ২০২৬)। আসামিদের মধ্যে কেউ কেউ একাধিক অভিযানে গ্রেপ্তার ও পৃথক পর্যায়ে আদালতে হাজির হওয়ায় গ্রেপ্তার ও জবানবন্দির তালিকা সূত্রভেদে সামান্য ভিন্ন; যাচাই সাপেক্ষে সংশোধনযোগ্য। আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি একটি আইনি ধাপ; বিচার শেষে দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিরা নিরপরাধ বলে গণ্য।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো অনুমোদিত মন্তব্য নেই।
